Sunday, October 11, 2020

বর্ণ

                          বর্ন

বাংলা ব্যাকরণ এর বর্ণ অধ্যায় টির সম্পূর্ণ ক্লাস টি করার জন্য নিচের ভিডিওটি দেখতে হবে।

 


১) বর্ণ কাকে বলে? উদাহরণ দাও।

উত্তর:- যে বিশেষ সংকেত চিহ্ন দ্বারা উচ্চারিত ধ্বনি কে লেখা হয় তাকে বর্ণ বলা হয়।

উদাহরণ:- অ, আ, ক, খ (লিখিত রূপ)

২) বর্ণ কয় প্রকার ও কি কি?

উত্তর:- বর্ণ দুই প্রকার যথা-

       ক) স্বরবর্ণ

   এবং খ) ব্যঞ্জনবর্ণ

৩) স্বরবর্ণ কাকে বলে? উদাহরণ দাও।

উত্তর:- যে সকল বিশেষ চিহ্নের দ্বারা স্বরধ্বনিকে লেখা হয়, তাদের স্বরবর্ণ বলে।অর্থাৎ, বলা যেতে পারে- যে সমস্ত বর্ণ স্বাধীনভাবে উচ্চারিত হতে পারে, বা যে সমস্ত বর্ণ উচ্চারিত হতে হলে অন্য কোন বর্ণের সাহায্যের প্রয়োজন হয় না, তাদের স্বরবর্ণ বলে।

অর্থাৎ বলা যেতে পারে যে, স্বরধ্বনির লিখিত রূপ হল স্বরবর্ণ।

উদাহরণ:- অ, আ, ই ইত্যাদি স্বরবর্ণের উদাহরণ।

৪) বাংলা বর্ণমালায় কতগুলি স্বরবর্ণ আছে?

উত্তর:- বাংলা বর্ণমালায় অ থেকে ঔ পর্যন্ত মোট ১২ টি স্বরবর্ণ আছে।

তবে বর্তমানে “৯” এর ব্যবহার না থাকায় বাংলা বর্ণমালা থেকে “৯” কে বাদ দেওয়া হয়েছে।

৫) ব্যঞ্জনবর্ণ কাকে বলে? উদাহরণ দাও।

উত্তর:- যে সমস্ত বিশেষ চিহ্ন দ্বারা ব্যঞ্জন ধ্বনি কে লেখা হয় তাদের ব্যঞ্জনবর্ণ বলে। অর্থাৎ, বলা যেতে পারে- যে সমস্ত বর্ণ স্বাধীনভাবে উচ্চারিত হতে পারে না, বা যে সমস্ত বর্ণ উচ্চারিত হতে গেলে অন্য কোন বর্ণের সাহায্যের প্রয়োজন হয়, তাদের ব্যঞ্জনবর্ণ বলে।

অর্থাৎ বলা যেতে পারে যে, ব্যঞ্জনধ্বনির লিখিত রূপ হল ব্যঞ্জনবর্ণ।

উদাহরণ:- ক, খ, গ, ঘ - ইত্যাদি ব্যঞ্জন বর্ণের উদাহরণ।

৬) বাংলা বর্ণমালায় কতগুলি ব্যঞ্জনবর্ণ আছে?

উত্তর:- বাংলা বর্ণমালায় চল্লিশটি ব্যঞ্জনবর্ণ আছে।

৭) “ক” থেকে “ম” পর্যন্ত ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা কয়টি?

উত্তর:- “ক” থেকে “ম” পর্যন্ত 25 টি ব্যঞ্জনবর্ণ আছে।

৮) “বর্গ” এবং “বর্গীয় বর্ণ” বলতে কী বোঝো?

উত্তর:- বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণ মালায় “ক” থেকে “ম” পর্যন্ত যে পঁচিশটি বর্ণ আছে তাদের উচ্চারণ অনুযায়ী পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়, এই পাঁচটি ভাগের প্রতিটি ভাগকে এক একটি বর্গ বলা হয়।

প্রতিটি বর্গের অন্তর্গত বর্ণগুলি কে বর্গীয় বর্ণ বলা হয়।

উদাহরণ:- “ক” বর্গের অন্তর্গত বর্গীয় বর্ণ গুলি হল যথাক্রমে- ক, খ, গ, ঘ, ঙ

৯) বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণ মালায় কোন বর্গের কি কি বর্ণ আছে তা ছকের সাহায্যে দেখাও।

   বর্গের নাম বর্গের অন্তর্গত বিভিন্ন বর্ণ

   ক বর্গ ক, খ, গ, ঘ, ঙ

   চ বর্গ চ, ছ, জ, ঝ, ঞ

   ট বর্গ ট, ঠ, ড, ঢ, ণ

   ত বর্গ ত, থ, দ, ধ, ন

   প বর্গ প, ফ, ব, ভ, ম

১০) উচ্চারণ স্থান অনুযায়ী বিভিন্ন বর্গের বর্ণগুলির বিভিন্ন নাম দেওয়া হয়েছে। এগুলি ছকের সাহায্যে দেখাও।

উত্তর:-

    বর্গের নাম উচ্চারণ স্থান অনুযায়ী বর্ণের নাম

     ক বর্গ কন্ঠ বর্ণ

     চ বর্গ তালব্য বর্ণ

     ট বর্গ মূর্ধন্য বর্ণ

     ত বর্গ দন্ত বর্ণ

     প বর্গ ওষ্ঠ বর্ণ

১১) উষ্ম বর্ণ কোনগুলি ? কেন এদের উষ্ম বর্ণ বলা হয় ?

উত্তর:- “শ”, “স”, “ষ”, “হ” কে উষ্ম বর্ণ বলা হয়। এই বর্ণগুলি উচ্চারণের সময় শ্বাসবায়ু মুখ থেকে বেরিয়ে আসে এবং শিষ দেওয়ার মতো আওয়াজ হয় বলে, এদেরকে উষ্ম বর্ণ বলা হয়।

১২) অন্তঃস্থ বর্ণ কোনগুলি ? এদের অন্তঃস্থ বর্ণ বলা হয় কেন ?

উত্তর :- য, র, ল, ব - এই চারটি বর্ণকে অন্তঃস্থ বর্ণ বলে।

এরা ব্যঞ্জন বর্ণমালায় বর্গীয় বর্ণ এবং উষ্ম বর্ণের মাঝখানে থাকায় এদের অন্তঃস্থ বর্ণ বলা হয়।

১৩) নাসিক্য বর্ণ কোনগুলি ? এদের নাসিক্য বর্ণ বলা হয় কেন ?

উত্তর:- ঙ, ঞ, ণ, ন, ম- এই পাঁচটি বর্ণ কি নাসিক্য বর্ণ বলে।

এই বর্ণগুলি উচ্চারণের সময় শ্বাসবায়ু মুখ দিয়ে ও কিছুটা নাক দিয়ে বেরোয়। যার ফলে উচ্চারণ কিছুটা নাকে নাকে হয়। সেই কারণেই এই বর্ণগুলোকে নাসিক্য বর্ণ বলে।


No comments:

Post a Comment

বিভক্তি ও পদ

                          বিভক্তি ও পদ বিভক্তি এবং পদ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হলে নিচের ভিডিওটি দেখতে হবে।   ওপরের ভিডিওটি সম্পূর্ণ স্ক্রিন...