ধ্বনি
১) ধ্বনি কাকে বলে ?
উত্তর:- আমাদের বাকযন্ত্রের সাহায্যে মুখ থেকে বেরোনো অর্থপূর্ণ আওয়াজ, যা শব্দ তৈরি করতে কাজে লাগে- তাকে ধ্বনি বলে।
আমাদের বাকযন্ত্র থেকে বেরোনো অর্থপূর্ণ শব্দের সবচেয়ে
ছোট অংশকে ধ্বনি বলা হয়।
২) ধ্বনি কত প্রকার ও কি কি ?
উত্তর;- ধ্বনি দুই প্রকার। যথা-
ক) স্বরধ্বনি
এবং খ) ব্যঞ্জনধ্বনি
৩) স্বরধ্বনি কাকে বলে ?
উত্তর:- যে ধ্বনি নিজে নিজেই উচ্চারিত হতে পারে, অর্থাৎ যে ধ্বনি উচ্চারণের ক্ষেত্রে অন্য কোন ধ্বনির সাহায্য নিতে হয় না, তাকে স্বরধ্বনি বলে। স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় শ্বাসবায়ু মুখের মধ্যে কোথাও বাধাপ্রাপ্ত হয় না।
উদাহরণ :- “অ” থেকে “ঔ” পর্যন্ত যে ধ্বনি গুলো আছে সেগুলো সবই স্বরধ্বনি।
৪) ব্যঞ্জনধ্বনি কাকে বলে ?
উত্তর :- যে সমস্ত ধ্বনি নিজে নিজে উচ্চারিত হতে পারে না, যাদের উচ্চারণের জন্য অন্য কোন স্বরধ্বনির সাহায্যের প্রয়োজন হয়, তাদের ব্যঞ্জন ধ্বনি বলে। ব্যঞ্জন ধ্বনি উচ্চারণের সময় শ্বাসবায়ু কোন না কোন জায়গায় বাধাপ্রাপ্ত হয়।
উদাহরণ:- “ক” একটি ব্যঞ্জনধ্বনি। কারণ “ক” উচ্চারণ করতে গেলে স্বরধ্বনি “অ”” এর সাহায্য প্রয়োজন।
৫) হ্রস্বস্বর বলতে কি বোঝো ? উদাহরণ দাও।
উত্তর:- যে সমস্ত স্বরধ্বনির উচ্চারণ করতে কম সময় প্রয়োজন হয়, তাদের হ্রস্বস্বর বলে।
উদাহরণ :- অ, ই, উ, ঋ
৬) দীর্ঘস্বর বলতে কী বোঝো ? উদাহরণ দাও।
উত্তর:- যে সকল স্বরধ্বনির উচ্চারণ করতে তুলনামূলক ভাবে হ্রস্বস্বর এর থেকে বেশি সময় প্রয়োজন হয়, তাদের দীর্ঘস্বর বলা হয়।
উদাহরণ:- আ, অ্যা, ঈ, ঊ, এ, ঐ, ও, ঔ
৭) যৌগিক স্বর কাকে বলে ? উদাহরণ দাও।
উত্তর:- দুটি মৌলিক স্বর পরপর যুক্ত হয়ে যে স্বর গঠন করে, তাকে যৌগিক স্বর বলে।
উদাহরণ :- “ও” এবং “ই” মৌলিক স্বর দুটি যুক্ত হয়ে যৌগিক স্বর ”ঐ” গঠন করেছে।
“ও” এবং “উ” মৌলিক স্বর দুটি যুক্ত হয়ে যৌগিক স্বর “ঔ” গঠন করেছে।
৮) উষ্মধ্বনি কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
উত্তর:- যে সমস্ত ধ্বনি উচ্চারণের সময় শ্বাসবায়ু শিস দেওয়ার মতো হয়ে মুখ থেকে বেরিয়ে আসে, তাদের উষ্ম ধ্বনি বলা হয়।
উদাহরণ:- শ, স, ষ এবং হ এই চারটি বর্ন উচ্চারণের সময় শ্বাসবায়ু শিস দেওয়ার মত বেরিয়ে আসে বলে, এদের উচ্চারিত ধ্বনি কে উষ্ম ধ্বনি বলা হয়।
No comments:
Post a Comment