Wednesday, October 21, 2020

বিভক্তি ও পদ

                          বিভক্তি ও পদ

বিভক্তি এবং পদ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হলে নিচের ভিডিওটি দেখতে হবে।

 

ওপরের ভিডিওটি সম্পূর্ণ স্ক্রিন জুড়ে বড় করে দেখার জন্য এখানে ক্লিক করুন বা স্পর্শ করুন


আগেই আমরা জেনেছি যে কতগুলি শব্দ পরপর বসে যদি মনের ভাব প্রকাশ করতে পারে, তবে সেই ক্ষেত্রে একটি বাক্য গঠিত হয়। অর্থাৎ, একটি বাক্য গঠিত হয় কত গুলি শব্দের সমষ্টি নিয়ে।

কয়েকটি শব্দ কে পর পর বসিয়ে দিলেই মনের ভাব প্রকাশ পেয়ে যাবে না। নিচে দেওয়া উদাহরণটি লক্ষ্য করা যাক।

উদাহরণ:- “বন থাক বাঘ, গাছ থাক পাখি” –

উপরের উদাহরণটি লক্ষ্য করলে বোঝা যাবে যে, এই ক্ষেত্রে ব্যবহৃত শব্দ গুলো দিয়ে কোন রকম মনের ভাব প্রকাশ পাচ্ছে না। তাই এটা বাক্য নয়।

কিন্তু আমরা যদি বলি- “বনে থাকে বাঘ, গাছে থাকে পাখি” -- এই ক্ষেত্রে শব্দ গুলি পরপর বসে মনের ভাব প্রকাশ করতে পেরেছে। তাই এটি একটি বাক্যে পরিণত হয়েছে।

এই ক্ষেত্রে মনের ভাব প্রকাশ করার জন্য উপরের বাক্যটির কয়েকটি শব্দের সাথে বিভক্তি যোগ করতে হয়েছে। নিচে সেটা দেখানো হলো-

বনে = বন + এ (এ বিভক্তি যুক্ত হয়েছে)

থাকে = থাক + এ (এ বিভক্তি যুক্ত হয়েছে)

বাঘ = বাঘ (শূন্য বিভক্তি)

গাছে = গাছ + এ (এ বিভক্তি যুক্ত হয়েছে)

থাকে = থাক + এ (এ বিভক্তি যুক্ত হয়েছে)

পাখি = পাখি (শূন্য বিভক্তি)

*বিভক্তি নানা ধরনের হতে পারে যেমন- এ, তে, কে, রে, এর, র, য় এবং শূন্য বিভক্তি।

* শব্দের সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হয়ে পদ তৈরি হয়।

*শব্দের সঙ্গে বিভক্তিযোগে নাম পদ তৈরি হয়।

*ধাতুর সঙ্গে বিভক্তিযোগে ক্রিয়াপদ তৈরি হয়।

শব্দ + বিভক্তি = নাম পদ

ধাতু + বিভক্তি = ক্রিয়াপদ

                প্রশ্ন উত্তর

** প্রশ্ন:- বিভক্তি কাকে বলে ?

** উত্তর:- যে বর্ণ বা বর্ণ সমষ্টি, কোনো শব্দ বা ধাতুর শেষে বসে পদ তৈরি করে তাকে বিভক্তি বলে।

** বিভক্তি যোগে কিভাবে নাম পদ এবং ক্রিয়া পদ পাওয়া যায় ?

** উত্তর:- কোন শব্দের শেষে বিভক্তি যুক্ত হলে নাম পদ তৈরি হয় এবং ধাতুর শেষে বিভক্তি যুক্ত হলে ক্রিয়াপদ তৈরি হয়।

** প্রশ্ন:- “অ” বিভক্তি র অপর নাম কি ?

** উত্তর:- “অ” বিভক্তি র অপর নাম শূন্য বিভক্তি।

** প্রশ্ন:- পদ কাকে বলে ?

** উত্তর:- বিভক্তিযুক্ত শব্দকে বা ধাতুকে পদ বলা হয়।

** প্রশ্ন:- পদ কয় প্রকার ও কি কি ?

** উত্তর:- পদ পাঁচ প্রকার যথা-

          ক) বিশেষ্য পদ

          খ) বিশেষণ পদ

          গ) সর্বনাম পদ

          ঘ) অব্যয় পদ

     এবং ঙ) ক্রিয়াপদ


শব্দ এবং বাক্য

                               শব্দ এবং বাক্য

শব্দ এবং বাক্য সম্পর্কে সম্পূর্ণ ক্লাসের ভিডিওটি নিচে দেওয়া হল

 



এক বা একাধিক ধ্বনি মিলিত হয়ে কোন অর্থ প্রকাশ করলে তৈরি হয় শব্দ। কয়েকটি শব্দ পরপর যুক্ত হয়ে যদি কোন অর্থ প্রকাশ করে বা মনের ভাব প্রকাশ করে, তাহলে সেই ক্ষেত্রে তৈরি হয় বাক্য।

অর্থাৎ বলা যেতে পারে যে, একটি বাক্যে একটি বা একাধিক শব্দ থাকতে পারে।

উদাহরণ:-

          রাম :- আজ বিকেলে আমাদের বাড়ি চলে

                      আসিস।

         রহিম:- না, আজ হবে না

         রাম:- কেন ?

        রহিম :- স্যার আসবেন। পড়া আছে।

উপরের উদাহরণে দুই বন্ধুর কথোপকথন থেকে এটা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে যে, প্রতিক্ষেত্রে বেশকিছু শব্দ পরপর বসে মনের ভাব প্রকাশ করতে পারায় বাক্য গঠন সম্ভব হয়েছে। কিন্তু রাম যখন বলল “কেন” , সেই ক্ষেত্রে একটি মাত্র শব্দ (কেন) রামের মনের ভাব প্রকাশ করতে পেরেছে। তাই এই ক্ষেত্রে একটি মাত্র শব্দ (কেন) দিয়েই বাক্য গঠন সম্ভব হয়েছে।

** প্রশ্ন:- শব্দ কাকে বলে ?

** উত্তর:- অর্থপূর্ণ ধ্বনি বা ধ্বনি র সমষ্টিকে শব্দ বলা

                  হয়।

                  উদাহরণ :- “ এ কেমন নিয়ম ? “ – বাক্যটি

                                      তে তিনটি শব্দ ( “এ” , “কেমন”,

                 “নিয়ম” ) আছে। তাদের মধ্যে একটিমাত্র ধ্বনি দিয়ে শব্দ গঠন করেছে “এ”

** প্রশ্ন :- বাক্য কাকে বলে ?

** উত্তর:- একটি মাত্র শব্দ বা একাধিক শব্দ পরপর বসে যদি মনের ভাব প্রকাশ করতে পারে, তবে সেইক্ষেত্রে তাকে বাক্য বলা হয়।

উদাহরণ:- “রাম খুব ভালো ছেলে” -- একটি

         বাক্যের উদাহরণ।  



Sunday, October 11, 2020

বর্ণ

                          বর্ন

বাংলা ব্যাকরণ এর বর্ণ অধ্যায় টির সম্পূর্ণ ক্লাস টি করার জন্য নিচের ভিডিওটি দেখতে হবে।

 


১) বর্ণ কাকে বলে? উদাহরণ দাও।

উত্তর:- যে বিশেষ সংকেত চিহ্ন দ্বারা উচ্চারিত ধ্বনি কে লেখা হয় তাকে বর্ণ বলা হয়।

উদাহরণ:- অ, আ, ক, খ (লিখিত রূপ)

২) বর্ণ কয় প্রকার ও কি কি?

উত্তর:- বর্ণ দুই প্রকার যথা-

       ক) স্বরবর্ণ

   এবং খ) ব্যঞ্জনবর্ণ

৩) স্বরবর্ণ কাকে বলে? উদাহরণ দাও।

উত্তর:- যে সকল বিশেষ চিহ্নের দ্বারা স্বরধ্বনিকে লেখা হয়, তাদের স্বরবর্ণ বলে।অর্থাৎ, বলা যেতে পারে- যে সমস্ত বর্ণ স্বাধীনভাবে উচ্চারিত হতে পারে, বা যে সমস্ত বর্ণ উচ্চারিত হতে হলে অন্য কোন বর্ণের সাহায্যের প্রয়োজন হয় না, তাদের স্বরবর্ণ বলে।

অর্থাৎ বলা যেতে পারে যে, স্বরধ্বনির লিখিত রূপ হল স্বরবর্ণ।

উদাহরণ:- অ, আ, ই ইত্যাদি স্বরবর্ণের উদাহরণ।

৪) বাংলা বর্ণমালায় কতগুলি স্বরবর্ণ আছে?

উত্তর:- বাংলা বর্ণমালায় অ থেকে ঔ পর্যন্ত মোট ১২ টি স্বরবর্ণ আছে।

তবে বর্তমানে “৯” এর ব্যবহার না থাকায় বাংলা বর্ণমালা থেকে “৯” কে বাদ দেওয়া হয়েছে।

৫) ব্যঞ্জনবর্ণ কাকে বলে? উদাহরণ দাও।

উত্তর:- যে সমস্ত বিশেষ চিহ্ন দ্বারা ব্যঞ্জন ধ্বনি কে লেখা হয় তাদের ব্যঞ্জনবর্ণ বলে। অর্থাৎ, বলা যেতে পারে- যে সমস্ত বর্ণ স্বাধীনভাবে উচ্চারিত হতে পারে না, বা যে সমস্ত বর্ণ উচ্চারিত হতে গেলে অন্য কোন বর্ণের সাহায্যের প্রয়োজন হয়, তাদের ব্যঞ্জনবর্ণ বলে।

অর্থাৎ বলা যেতে পারে যে, ব্যঞ্জনধ্বনির লিখিত রূপ হল ব্যঞ্জনবর্ণ।

উদাহরণ:- ক, খ, গ, ঘ - ইত্যাদি ব্যঞ্জন বর্ণের উদাহরণ।

৬) বাংলা বর্ণমালায় কতগুলি ব্যঞ্জনবর্ণ আছে?

উত্তর:- বাংলা বর্ণমালায় চল্লিশটি ব্যঞ্জনবর্ণ আছে।

৭) “ক” থেকে “ম” পর্যন্ত ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা কয়টি?

উত্তর:- “ক” থেকে “ম” পর্যন্ত 25 টি ব্যঞ্জনবর্ণ আছে।

৮) “বর্গ” এবং “বর্গীয় বর্ণ” বলতে কী বোঝো?

উত্তর:- বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণ মালায় “ক” থেকে “ম” পর্যন্ত যে পঁচিশটি বর্ণ আছে তাদের উচ্চারণ অনুযায়ী পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়, এই পাঁচটি ভাগের প্রতিটি ভাগকে এক একটি বর্গ বলা হয়।

প্রতিটি বর্গের অন্তর্গত বর্ণগুলি কে বর্গীয় বর্ণ বলা হয়।

উদাহরণ:- “ক” বর্গের অন্তর্গত বর্গীয় বর্ণ গুলি হল যথাক্রমে- ক, খ, গ, ঘ, ঙ

৯) বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণ মালায় কোন বর্গের কি কি বর্ণ আছে তা ছকের সাহায্যে দেখাও।

   বর্গের নাম বর্গের অন্তর্গত বিভিন্ন বর্ণ

   ক বর্গ ক, খ, গ, ঘ, ঙ

   চ বর্গ চ, ছ, জ, ঝ, ঞ

   ট বর্গ ট, ঠ, ড, ঢ, ণ

   ত বর্গ ত, থ, দ, ধ, ন

   প বর্গ প, ফ, ব, ভ, ম

১০) উচ্চারণ স্থান অনুযায়ী বিভিন্ন বর্গের বর্ণগুলির বিভিন্ন নাম দেওয়া হয়েছে। এগুলি ছকের সাহায্যে দেখাও।

উত্তর:-

    বর্গের নাম উচ্চারণ স্থান অনুযায়ী বর্ণের নাম

     ক বর্গ কন্ঠ বর্ণ

     চ বর্গ তালব্য বর্ণ

     ট বর্গ মূর্ধন্য বর্ণ

     ত বর্গ দন্ত বর্ণ

     প বর্গ ওষ্ঠ বর্ণ

১১) উষ্ম বর্ণ কোনগুলি ? কেন এদের উষ্ম বর্ণ বলা হয় ?

উত্তর:- “শ”, “স”, “ষ”, “হ” কে উষ্ম বর্ণ বলা হয়। এই বর্ণগুলি উচ্চারণের সময় শ্বাসবায়ু মুখ থেকে বেরিয়ে আসে এবং শিষ দেওয়ার মতো আওয়াজ হয় বলে, এদেরকে উষ্ম বর্ণ বলা হয়।

১২) অন্তঃস্থ বর্ণ কোনগুলি ? এদের অন্তঃস্থ বর্ণ বলা হয় কেন ?

উত্তর :- য, র, ল, ব - এই চারটি বর্ণকে অন্তঃস্থ বর্ণ বলে।

এরা ব্যঞ্জন বর্ণমালায় বর্গীয় বর্ণ এবং উষ্ম বর্ণের মাঝখানে থাকায় এদের অন্তঃস্থ বর্ণ বলা হয়।

১৩) নাসিক্য বর্ণ কোনগুলি ? এদের নাসিক্য বর্ণ বলা হয় কেন ?

উত্তর:- ঙ, ঞ, ণ, ন, ম- এই পাঁচটি বর্ণ কি নাসিক্য বর্ণ বলে।

এই বর্ণগুলি উচ্চারণের সময় শ্বাসবায়ু মুখ দিয়ে ও কিছুটা নাক দিয়ে বেরোয়। যার ফলে উচ্চারণ কিছুটা নাকে নাকে হয়। সেই কারণেই এই বর্ণগুলোকে নাসিক্য বর্ণ বলে।


ধ্বনি

                              ধ্বনি

১) ধ্বনি কাকে বলে ?

উত্তর:- আমাদের বাকযন্ত্রের সাহায্যে মুখ থেকে বেরোনো অর্থপূর্ণ আওয়াজ, যা শব্দ তৈরি করতে কাজে লাগে- তাকে ধ্বনি বলে।

আমাদের বাকযন্ত্র থেকে বেরোনো অর্থপূর্ণ শব্দের সবচেয়ে

ছোট অংশকে ধ্বনি বলা হয়।

২) ধ্বনি কত প্রকার ও কি কি ?

উত্তর;- ধ্বনি দুই প্রকার। যথা-

       ক) স্বরধ্বনি

   এবং খ) ব্যঞ্জনধ্বনি

৩) স্বরধ্বনি কাকে বলে ?

উত্তর:- যে ধ্বনি নিজে নিজেই উচ্চারিত হতে পারে, অর্থাৎ যে ধ্বনি উচ্চারণের ক্ষেত্রে অন্য কোন ধ্বনির সাহায্য নিতে হয় না, তাকে স্বরধ্বনি বলে। স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় শ্বাসবায়ু মুখের মধ্যে কোথাও বাধাপ্রাপ্ত হয় না।

উদাহরণ :- “অ” থেকে “ঔ” পর্যন্ত যে ধ্বনি গুলো আছে সেগুলো সবই স্বরধ্বনি।

৪) ব্যঞ্জনধ্বনি কাকে বলে ?

উত্তর :- যে সমস্ত ধ্বনি নিজে নিজে উচ্চারিত হতে পারে না, যাদের উচ্চারণের জন্য অন্য কোন স্বরধ্বনির সাহায্যের প্রয়োজন হয়, তাদের ব্যঞ্জন ধ্বনি বলে। ব্যঞ্জন ধ্বনি উচ্চারণের সময় শ্বাসবায়ু কোন না কোন জায়গায় বাধাপ্রাপ্ত হয়।

উদাহরণ:- “ক” একটি ব্যঞ্জনধ্বনি। কারণ “ক” উচ্চারণ করতে গেলে স্বরধ্বনি “অ”” এর সাহায্য প্রয়োজন।

৫) হ্রস্বস্বর বলতে কি বোঝো ? উদাহরণ দাও।

উত্তর:- যে সমস্ত স্বরধ্বনির উচ্চারণ করতে কম সময় প্রয়োজন হয়, তাদের হ্রস্বস্বর বলে।

উদাহরণ :- অ, ই, উ, ঋ

৬) দীর্ঘস্বর বলতে কী বোঝো ? উদাহরণ দাও।

উত্তর:- যে সকল স্বরধ্বনির উচ্চারণ করতে তুলনামূলক ভাবে হ্রস্বস্বর এর থেকে বেশি সময় প্রয়োজন হয়, তাদের দীর্ঘস্বর বলা হয়।

উদাহরণ:- আ, অ্যা, ঈ, ঊ, এ, ঐ, ও, ঔ

৭) যৌগিক স্বর কাকে বলে ? উদাহরণ দাও।

উত্তর:- দুটি মৌলিক স্বর পরপর যুক্ত হয়ে যে স্বর গঠন করে, তাকে যৌগিক স্বর বলে।

উদাহরণ :- “ও” এবং “ই” মৌলিক স্বর দুটি যুক্ত হয়ে যৌগিক স্বর ”ঐ” গঠন করেছে।

          “ও” এবং “উ” মৌলিক স্বর দুটি যুক্ত হয়ে যৌগিক স্বর “ঔ” গঠন করেছে।

৮) উষ্মধ্বনি কাকে বলে? উদাহরণ দাও।

উত্তর:- যে সমস্ত ধ্বনি উচ্চারণের সময় শ্বাসবায়ু শিস দেওয়ার মতো হয়ে মুখ থেকে বেরিয়ে আসে, তাদের উষ্ম ধ্বনি বলা হয়।

উদাহরণ:- শ, স, ষ এবং হ এই চারটি বর্ন উচ্চারণের সময় শ্বাসবায়ু শিস দেওয়ার মত বেরিয়ে আসে বলে, এদের উচ্চারিত ধ্বনি কে উষ্ম ধ্বনি বলা হয়।


ভাষা

                            ভাষা

১) ভাষা কাকে বলে?

উত্তর:- ভাষা একটি মাধ্যম, যার সাহায্যে আমরা মনের ভাব প্রকাশ করতে পারি।

২) ব্যাকরণ কাকে বলে ?

উত্তর:- ব্যকরণ একটি বই, যে বই পড়লে ভাষা শুদ্ধ ভাবে বলতে, লিখতে ও পড়তে পারা যায়।

৩) ব্যাকরণ যিনি লেখেন তাকে কি বলা হয় ?

উত্তর:- যিনি ব্যাকরণ লেখেন তাকে বৈয়াকরণ বলা হয়


Sunday, September 20, 2020

বর্ণ বিশ্লেষণ পদ্ধতি

 বর্ণ বিশ্লেষণ পদ্ধতি 

বর্ণ বিশ্লেষণ কিভাবে করতে হয়, অর্থাৎ বর্ণ বিশ্লেষণ পদ্ধতি সম্পর্কে সম্পূর্ণ ক্লাসের ভিডিও টি 
দুটি ধাপে ( পার্ট ১ ও পার্ট ২ ) নীচে দেওয়া হল । 

প্রথম ভিডিও   ঃ 



দ্বিতীয় ভিডিও   ঃ 


বিভক্তি ও পদ

                          বিভক্তি ও পদ বিভক্তি এবং পদ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হলে নিচের ভিডিওটি দেখতে হবে।   ওপরের ভিডিওটি সম্পূর্ণ স্ক্রিন...